Chapter 13
শান্তির বার্তা
সত্য জানার পর গ্রামের মানুষের মনে শান্তি ফিরে আসে। তারা হারানো প্রেমের করুণ কাহিনি শুনে দুঃখ প্রকাশ করে।
শান্তির বার্তা
সত্য উন্মোচিত হওয়ার পর গ্রামের বাতাসে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা নেমে এলো। যে নিস্তব্ধতা ভয়ের বা অজানা আশঙ্কার নয়, বরং এক গভীর উপলব্ধির। রাতুল তার দাদুর ডায়েরিতে লেখা হারানো প্রেমের করুণ কাহিনি গ্রামের সবার সামনে তুলে ধরেছিল। গ্রামের সকল মানুষ, ছোট থেকে বড়, সবাই জড়ো হয়েছিল গ্রামের পুরনো বটগাছের নিচে। গাছের ছায়ায়, এক কোণে রাখা ছিল রাতুলের দাদুর ডায়েরিটি। ডায়েরির পাতাগুলো যেন সাক্ষী ছিল এক সময়ের, এক হারানো প্রেমের, আর এক অভিশপ্ত রত্নের।
রাতুল যখন তার দাদুর লেখাগুলো পড়ছিল, তখন তার গলায় এক বিষণ্ণ সুর। সে পড়ে শোনাল কীভাবে তার দাদু, যুবক বয়সে, গ্রামেরই এক অপরূপ সুন্দরী মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন। মেয়েটির নাম কেউ মনে করতে পারত না, শুধু জানত সে ছিল গ্রামেরই এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের আদরের দুলালী। তাদের প্রেম ছিল গভীর, পবিত্র, যেন শরতের মেঘে ভেসে যাওয়া এক নির্মল হাওয়া। কিন্তু তাদের এই মধুর সম্পর্কে ফাটল ধরল এক অমূল্য রত্নের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে। রত্নটি ছিল গ্রামের জমিদারদের অনেক পুরনো সম্পদ, যার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল গ্রামের শান্তি ও সমৃদ্ধি। সেই রত্ন চুরি যাওয়ার পর থেকেই গ্রামে শুরু হয়েছিল এক অশুভ ছায়া, এক বিবাদ যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে চলেছিল।
Keep reading "শান্তির বার্তা"
The full chapter is in the AIBookCraft app — free to read, with your spot saved.
Free on iOS & Android · No signup to read